এইমাএ পাওয়া

হাড়ের ক্ষয় রোগ থেকে বাঁচার উপায়

জুলাই ৫, ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক, বিনিয়োগ বার্তা:

অস্টিওপোরোসিস বা অস্থি ক্ষয় কিংবা হাড়ের ক্ষয় রোগ এমন একটি অসুখ যার ফলে হাড়ের ঘনত্ব নির্দিষ্ট মাত্রায় কমে যাওয়ায় হাড় দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে যায়।

২০ থেকে ৩৫ বছর হাড় তার পূর্ণতা লাভ করে, তারপর ৪০ বছরের পর থেকে হাড় তার ক্যালসিয়াম ও ফসফেট হারাতে থাকে। এর ফলে হাড়ের পরিবর্তন হয়, দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে যায়।

৫০ বছর বয়সে ১৫ ভাগ এবং ৭০-৮০ বছর বয়সে ৩০ ভাগ মহিলার হিপ বোন বা কোমরের হাড় ভেঙে যায়।

আসুন জেনে নেওয়া যাক কী কী করলে হাড়ের ক্ষয় রোগ থেকে বাঁচা যায়?

মানসিক চাপ মু্ক্ত থাকা:
মানসিক চাপের সাথে হাড়ের সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ। কারণ মানসিক চাপে থাকলে দেহ থেকে কারটিসোল নামক একটি হরমোন নিঃসরণ হয়; যা হাড় ক্ষয়ের জন্য দায়ী। তাই মানসিক চাপটাকে যতো দূরে রাখবেন ততোই ভালো।

ভিটামিন ডি এর অভাব দূর:
হাড়ের ক্ষয়রোধের জন্য ভিটামিন ডি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি শরীরে ভিটামিন ডি এর অভাব থাকে তবে ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পরেও হাড়ের সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব হয় না। তাই হাড়ের সমস্যা ও ক্ষয় রোধ করতে ভিটামিন ডি জাতীয় খাবার যেমন মাছ, মাছের তেল, দুধ, সয়া দুধ, ফলমূল খেয়ে এর অভাব পূরণ করতে হবে। তবে হাড়ের ক্ষয়রোধ থেকে বাঁচা যাবে।

পুষ্টিকর খাবার:
মজবুত হাড়ের জন্য খাদ্যতালিকায় অবশ্যই ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার রাখতে হবে। কম ফ্যাট যুক্ত দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার খেতে হবে প্রতিদিন। দুধ, ডিম, কাঠবাদাম, ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ সামুদ্রিক মাছ, সবুজ শাকসবজি, ব্রকলি, প্রচুর পরিমাণে রাখতে হবে খাদ্য তালিকায়। এতে হাড় মজবুত হবে।

ধূমপান ও মদ্যপান বাদ দিতে হবে:
ধূমপানের ফলে হাড়ের ক্ষয় বাড়তে থাকে। তাই এ থেকে রক্ষা পেতে ধূমপান ও মদ্যপানকে বাদ দিতে হবে।

শারীরিক পরিশ্রম:
টানা বসে কাজ করলে দেহের হাড়ের ভঙ্গুরতা বাড়ে। যারা প্রতিদিন শারীরিক পরিশ্রম বেশি করে তাদের হাড়ের ক্ষয় রোধ কম হয় বা হয় না। যারা একেবারেই শারীরিক পরিশ্রম করেন না তাদের হাড় অপেক্ষাকৃত নরম ও দুর্বল হয়ে পড়ে দ্রুতই। শারীরিক ব্যায়াম, খেলাধুলা, নাচ, সাইকেল চালানো, সাতার কাটা ইত্যাদি ভালো শারীরিক পরিশ্রম। এগুলো হাড়ের ক্ষয়রোধে সাহায্য করে।

বিনিয়োগ বার্তা/জিকো