সাইফউদ্দিন-মেহেদী হিরো

সাইফউদ্দিন-মেহেদী হিরো

সাইফউদ্দিন-মেহেদী হিরো
ডেস্ক, বিনিয়োগ বার্তা: 

৪২ রান ও ৩ উইকেট, অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে সাকিব আল হাসান ম্যান অব দ্য ম্যাচ। মোস্তাফিজুর রহমান ৪ উইকেট নিয়ে দলের সেরা বোলার। ৬৪ রান করে নাঈম শেখ দলের সর্বোচ্চ স্কোর। স্কোরকার্ড বলবে ওমানকে হারানোর পেছনে এই ত্রয়ীর ভূমিকাই সবচেয়ে বেশি। কিন্তু তাদের থেকেও বেশি প্রভাবশালী ছিলেন পেসার সাইফউদ্দিন ও স্পিনার মেহেদী হাসান।

দুইজনের ৮ ওভারের বোলিং ছিল ওমানের বিপক্ষে জয়ের টার্নিং পয়েন্ট। ম্যাচ জয়ের নায়ক সাকিবই বলেছেন এমন কথা। শুনুন তার মুখে, ‘আমার মনে হয়, সাইফউদ্দিন ও মেহেদী দুইজনই খুব ভালো বোলিং করেছে। ওদেরই আজকের (গতকাল) ম্যাচে আমাদের টার্নিং পয়েন্ট বলতে পারেন। ওদের আট ওভারে আমি জানি না, হয়তো ৩০ রানও হয়নি। তাতেই আমরা অনেক এগিয়ে গিয়েছি। অবশ্যই ওদের দুইজনকে কৃতিত্ব দিতে হয়, যেভাবে তারা বোলিং করে যাচ্ছে।’

বাংলাদেশের পুঁজি ছিল মাঝারিমানের, ১৫৩ রান। এই রান আটকে দেওয়ার জন্য বোলিং হতে হয় নিয়ন্ত্রিত। কিন্তু বাংলাদেশের বোলিং শুরুতে বাজে ছিল। ২ ওভারে তাসকিন ও মোস্তাফিজ দেন ২৪ রান। পাওয়ার প্লেতে রান ৪৭। মনে হচ্ছিল সহজেই জিতে যাবে ওমান। কিন্তু অফস্পিনার মেহেদী বোলিংয়ে আসার পর রান কিছুটা থেমে যায়। তাতে অন্যপ্রান্তে বোলাররা এসে চাপ দেওয়ায় ওমানের ব্যাটসমানদের হাত গুটিয়ে যায়।

মেহেদী ৪ ওভারে মাত্র ১৪ রান দিয়ে পেয়েছেন ১ উইকেট। তার বোলিংয়ে ডট ছিল ১২টি। তৃতীয় উইকেটে জিশান মাকসুদ ও যতীন্দর সিংয়ের ৩৪ রানের জুটি ভেঙেছিলেন মেহেদী। এরপর তাসের ঘরের মতো ভাঙতে থাকে ওমানের ব্যাটিং অর্ডার।

পাওয়ার প্লে ও ডেথ ওভার মিলিয়ে সাইফউদ্দিন নিজের ৪ ওভার বোলিং করেছেন। ১ উইকেট হারানোর সঙ্গে তার বোলিং থেকে ওমান পায় মাত্র ১৬ রান। ডট বল ছিল ১৩টি। সাইফউদ্দিন পাওয়ার প্লেতেই ১ বাউন্ডারি হজম করেছিলেন। আর মেহেদী কোনো বাউন্ডারি হতে দেননি। এই ‘হাড়কিপটে’ বোলিংয়ে মেহেদী ও সাইফউদ্দিন হয়েছেন বাংলাদেশের আনসাং হিরো।
ঢাকা/আশা