এইমাএ পাওয়া

দেশি জাতের ব্রয়লার মুরগি উদ্ভাবন

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১৬

ডেস্ক: পোলট্রি শিল্পের মুমূর্ষু অবস্থায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) বিজ্ঞানীরা তাদের গবেষণায় নতুন আলোর সন্ধান দিয়েছেন। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা দেশে এই প্রথম দেশি আবহাওয়া উপযোগী দেশীয় জার্মপ্লাজম ব্যবহার করে ব্রয়লার মুরগির উন্নত জাত উদ্ভাবন করেছেন। নতুন এ জাতটি অতিসত্বর বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনে যাবে, এতে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে বলে আশা করছেন পোলট্রি বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ আশরাফ আলী।

পোলট্রি বিজ্ঞান বিভাগের গবেষকরা বাউ-ব্রো হোয়াইট ও বাউ-ব্রো কালার নামে ব্রয়লারের দুটি উন্নত জাত উদ্ভাবন করেছেন। বাংলাদেশে প্রথম দেশি মুরগির স্বাদ পাওয়া যাবে ব্রয়লার এই জাতের মুরগিতে।তিনি আরও বলেন, বিদেশি আবহাওয়া উপযোগী ব্রয়লার এ দেশে এনে বাজারজাত করায় সাম্প্রতিক সময়ে নতুন নতুন রোগের সৃষ্টি হচ্ছে। এতে সার্বিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পোলট্রি খাত। তার গবেষণার ফল পোলট্রি শিল্পে ব্যবহারের মাধ্যমে এ সমস্যার উত্তরণ সম্ভব।

অধ্যাপক ড. মোঃ আশরাফ আলী বলেন, বর্তমানে তার গবেষণায় প্রাপ্ত ব্রয়লার মুরগির বাচ্চা ৬ সপ্তাহে ওজন হচ্ছে ১১০০ গ্রাম। বাচ্চার ওজন আরও ২০০ গ্রাম বৃদ্ধি করা গেলেই নতুন জাতটি বাজারজাতের জন্য পাঠানো হবে।গবেষকরা আরও জানান, ব্রয়লারের বাচ্চা উৎপাদনে আমাদের নিজস্ব কোনো প্যারেন্ট স্টক না থাকায় বাইরের দেশ থেকে প্যারেন্ট স্টক আমদানিতে প্রতি বছর ব্যয় হয় প্রায় ৯০ কোটি টাকা। দেশীয় মুরগির জার্মপ্লাজম ও প্রচলিত উন্নত জাতের সিনথেটিক ব্রয়লারের সমন্বয়ে উদ্ভাবিত নতুন ব্রয়লার দুটি দেশে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করলে আমদানি খরচ সাশ্রয় হবে।