এইমাএ পাওয়া

তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নে মাধ্যমে অর্থনৈতিক মুক্তি সম্ভব: পলক

ডিসেম্বর ২৭, ২০১৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, বিনিয়োগবার্তা:

তথ্যপ্রযুক্তিতে উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক মুক্তি সম্ভব বলে মনে করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযু্ক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি বলেন, উন্নত দেশ গড়তে প্রথমেই দরকার উন্নত প্রযুক্তি।কিন্তু ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার ছাড়া অর্থনৈতিক মুক্তি সম্ভব নয়।

মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ কম্পিটার কাউন্সিল (বিসিসি) অডিটরিয়ামে বিজয় দিবস-২০১৬ উপলক্ষে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ আয়োজিত ‘সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সার্বজনীন তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার ও মুক্তিযুদ্ধ’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও সিম্পোজিয়ামে তিনি এসব কথা বলেন।
বক্তব্য রাখছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযু্ক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। ছবি মহুবার রহমান

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জুনায়েদ আহমেদ পলক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর রূপকল্প ভিশন-২১ বাস্তবায়নের প্রধান হাতিয়ার ইন্টারনেট। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণে তথ্যপ্রযুক্তির সার্বজনীন ব্যবহার বাড়াতে হবে। এজন্য আমাদের সকলকে সচেতন হতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা ৫২ ও ৭১-র আন্দোলনে অংশ নিতে না পারলেও তেমনই একটি আন্দোলনে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দিয়েছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার নেতৃত্বে আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার আন্দোলনে অংশ নিতে পারবো। যার প্রধান লক্ষ্য বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণ। এ অভিযাত্রা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের।

তিনি বলেন, ৭৫-এ বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে তার ইতিহাস মুছে ফেলতে চেয়েছিল। তারা প্রায় দুই যুগ আমাদের তরুণ প্রজন্মের কাছ থেকে বঙ্গবন্ধুর ইতিহাস দূরে রেখেছিল। তাদের একটাই ভয় ছিল তরুণরা যদি বঙ্গবন্ধুর ইতিহাস জেনে জয় বাংলাকে ধারণ করে; তাহলে তাদের ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যাবে।

তরুণ প্রজন্মের স্বপ্নের কথা উল্লেখ করে জুনায়েদ আহমেদ পলক বলেন, বঙ্গবন্ধুর ইতিহাস থেকে তরুণদের দূরে রাখার কারণে আমাদের তরুণ প্রজন্ম উন্নত স্বপ্ন ও লক্ষ্য নির্ধারণ থেকে বিচ্যুত ছিল। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে তরুণরা এখন স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে। তার হাত ধরে তরুণরা এখন অর্থনৈতিক মুক্তির পথে চলছে।polok-1

প্রধান আলোচকের বক্তব্যে শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. নুজহাত চৌধুরী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের শহীদরা আমাদেরকে ঋণী করে গেছেন। শহীদদের রক্তের ঋণ আমাদের সবার। তাদের সে ঋণের মর্যাদা আমাদের রক্ষা করতে হবে।

বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল ভবনে তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক এস এম আশরাফুল ইসলাম,তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব হারুনুর রশিদ, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বেগম হোসনে আরা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের অতিরিক্ত সচিব সুশান্ত কুমার শাহা, পার্থ প্রতিম দেব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের মহাপরিচালক বনমালী ভৌমিক প্রমুখ।