এইমাএ পাওয়া

উৎপাদন বন্ধ তবুও শেয়ার দর বাড়ছে বিচ হ্যাচারির

আগস্ট ১৬, ২০১৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, বিনিয়োগবার্তা:

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি বিচ হ্যাচারি লিমিটেডের দীর্ঘদিন ধরেই উৎপাদন বন্ধ। কিন্তু থেকে নেই কোম্পানিটির শেয়ারদর। ক্রমেই বাড়ছে কোম্পানিটির শেয়ার দর । অতি উৎসাহী হলে কোম্পানিটির শেয়ারে লোকসানে পড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ডিএসই সূত্র মতে, ২০১৬ সালের এপ্রিল মাস থেকে কোম্পানিটির উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। ২৫ এপ্রিল ডিএসইতে কোম্পানির উৎপাদন বন্ধ থাকার বিষয়ে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। তখন থেকে বন্ধ আছে কোম্পারি উৎপাদন। কবে নাগাদ উৎপাদনে আসতে পারে সে বিষয়টিও পরিষ্কার না।

সূত্রমতে, সর্বশেষ ২ কার্যদিবসে ডিএসইএত হল্টেড থেকে শেয়ারটির দর ১৯ দশমিক ৫৮ শতাংশ বেড়েছে। ২ কার্যদিবস আগে কোম্পানির শেয়ার দর ছিল ৯ টাকা ৭০ পয়সা। দুদিনে তা বেড়ে ১১ টাকা ৬০ পয়সায় উঠে। শেষ কার্যদিবসে কোম্পানির মোট ১৫ লাখ ৮৬ হাজার ৪৪০টি শেয়ার লেনদেন হয়।

গত বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই, ১৫ – সেপ্টেম্বর, ১৫) শেয়ার প্রতি কোম্পানিটির লোকসান ছিল ১১ পয়সা। আর ৯ মাসে (জানুয়ারি,১৫– সেপ্টেম্বর,১৫) কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি লোকসান করেছিল ৪৭ পয়সা।

এ বিষয়ে যোগযোগ করা হলে কোম্পানি সচিব নুরুল ইসলাম বলেন, রিজার্ভ ট্যাংকার বন্ধ থাকার কারণে বর্তমানে আমাদের কোম্পানির উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। এ বছর আর চালু হওয়ার সম্ভাবনা নেই। কারণ আমাদের মৌসুম শেষ।

তিনি বলেন, আমাদের এই ব্যবসার মৌসুম হলো জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত। সব কিছু ঠিক হলে আগামী মৌসুমে আবার কারখানা চালু করা হবে।

শেয়ারের টানা দর বৃদ্ধি সম্পর্কে তিনি বলেন, কে বা কারা শেয়ারের দর বাড়াচ্ছে আমরা তা বলতে পারবো না। তবে এটুকু বলতে পারি আমাদের কোম্পানি বন্ধ আছে।

২০০২ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় বিচ হ্যাচারি লিমিটেড। কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার মহেশখালীপাড়া এলাকায় ৯ দশমিক ২ একর জমির ওপর কোম্পানির হ্যাচারি। কোম্পানিটি চিংড়ির পোনা উৎপাদন ও বিপণন করে। ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দেয় কোম্পানিটি।

বর্তমানে কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি টাকা। আর পরিশোধিত মূলধন ৪১ কোটি ৪০ লাখ টাকা। রিজার্ভে আছে ৭ কোটি ৪০ লাখ টাকা। মোট শেয়ারের ৩৫ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ কোম্পানির উদ্যোক্তা-পরিচালকদের কাছে, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৮ দশমিক ২৭ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে বাকি ৪৬ দশমিক ৭২ শতাংশ শেয়ার।
বিনিয়োগবার্তা/ আই