এইমাএ পাওয়া

আইটি খাতের আকার হবে ৫০০০ কোটি ডলার: পলক

ডিসেম্বর ২১, ২০১৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, বিনিয়োগবার্তা:
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক বলেছেন, আগামী ২০৪১ সালে আইটি বা প্রযুক্তি খাতের আকার হবে ৫০ বিলিয়ন ডলার। বুধবার রাজধানীর রেডিসন হোটেলে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।

‘দ্য নেক্সট বিলিয়ন ডলার অপরচুনিটিজ ইন বাংলাদেশ: আইসিটি সেক্টর’ শীর্ষক এ সেমিনারে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে আইসিটি খাতের প্রচুর সম্ভাবনা আছে। আশা করি ২০৪১ সালের মধ্যে এ খাতের আকার হবে ৫০ বিলিয়ন ডলার। এ খাতে বিনিয়োগ হচ্ছে প্রচুর। যার কারণে আশা করি, আগামী ২০১৮ সালের মধ্যে এ খাত থেকে আয় হবে ১০০ কোটি ডলার। আর ২০২১ সালে তা গিয়ে দাঁড়াবে ৫০০ কোটি ডলার। ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এ সেমিনারের আয়োজন করে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সাল পর্যন্ত আইসিটি খাতে বিনিয়োগে কোনো ট্যাক্স লাগবে না। তার মানে ই- কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোকে আপাতত কোনো ভ্যাট দিতে হবে না।

ই-কমার্স খাতের কিছু প্রতিষ্ঠানে ইতোমধ্যে বিদেশি বিনিয়োগ শুরু হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ই- কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোতে দক্ষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছি। আগামী বছর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উদ্ধোধন হবে। ২৮টি আইটি পার্ক করা হচ্ছে। এসব পার্কে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কর রেয়াতের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আইটি খাতের বিকাশে স্টার্ট আপ বা নতুন উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিনিয়োগ করতে যৌথ মূলধনী কোম্পানিগুলোকে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে ওষুধ খাতের সম্ভাবনা তুলে ধরেন রেনাটার প্রধান নির্বাহী কায়েস এ চৌধুরী। তিনি বলেন, ওষুধ খাতেও বাংলাদেশের সম্ভাবনা অনেক। সরকার যদি বিদেশি মুদ্রা বিনিয়োগ নীতি পরিবর্তন করে, তবে বাংলাদেশি কোম্পানিগুলোতে বিদেশি বিনিয়োগ আসতো। এ খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে রূপ নিতো।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ীদের অন্যতম প্রভাবশালী সংগঠন মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) সভাপতি নাসিম মঞ্জুর। তিনি বলেন, বাংলাদেশে ফুটওয়্যার অনেক এগিয়েছে। কিন্তু এখনো ভিয়েতনাম থেকে পিছিয়ে। সরকারের সহযোগিতা পেলে, কর্মজনশক্তি আর উদ্ভাবনী শক্তি থাকলে বাংলাদেশ এখানে নেতৃত্ব দিতে পারবে।

অনুষ্ঠানে এফবিসিসিআইয়ের সহসভাপতি শফিউল ইসলাম বলেন, আমাদের পোশাক খাতের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র প্রতিনিয়ত হয়। বর্তমানে নিরীহ শ্রমিকদের উস্কে দিয়ে আশুলিয়ার ৫৫টি কারখানা বন্ধ করা হয়েছে। সব ধরনের ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে আমাদের এগুতে হবে।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা চেম্বারের সহ সভাপতি হুমায়ন রশিদ।
বিনিয়োগবার্তা/আর‌এ