এইমাএ পাওয়া

অগ্রনী ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল হচ্ছে!

মে ২৩, ২০১৭

ডেস্ক,বিনিয়োগবার্তা:

অগ্রণী ব্যাংকের অফিসার পদে নিয়োগের জন্য গত শুক্রবার সকালে অনুষ্ঠিত নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ায় ওই পরীক্ষা বাতিল করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং ও ইন্স্যুরেন্স বিভাগকে আজ মঙ্গলবার পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মধ্যদিয়ে ব্যাংকটির নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল হচ্ছে। দেশের গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

এতে আরও জানানো হয়েছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরামর্শের পর সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে ব্যাংকিং বিভাগও। পরবর্তীতে সকাল ও বিকেলের দুইটি পরীক্ষা একইসঙ্গে নেওয়ার চিন্তা করছে তারা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির মাধ্যমে এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হলেও পরীক্ষা গ্রহণসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং ও ইন্স্যুরেন্স বিভাগ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং ও ইন্স্যুরেন্স বিভাগের চেয়ারম্যান আবু তালেব বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের কথা জানার পরই বিকেলের পরীক্ষা স্থগিত হয়। তবে সকালের পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের বিষয়টি পরীক্ষার পর জানতে পারি। বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হলেও পরিস্থিতি বিবেচনায় সকালের পরীক্ষা বাতিলের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে। কমিটির সব সদস্য বৈঠক করে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

তিনি আরও জানান, স্থগিত হওয়া বিকেলের পরীক্ষা আবার নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। তবে একসঙ্গে পরীক্ষা না নিলে অনেক প্রশ্ন উঠতে পারে- এমন আশঙ্কা থেকে সকাল ও বিকেলের পরীক্ষা একসঙ্গে নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। একসঙ্গে পরীক্ষা নিলে ঝুঁকিও কম থাকে।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ৭ জুন তারিখে সিনিয়র অফিসার পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিল অগ্রণী ব্যাংক। ওই পোস্টের ২৬২টি শূন্য পদে নিয়োগের জন্য ওই বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিল রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকটি। এর বিপরীতে প্রায় ২ লাখ ১০ হাজার চাকরি প্রার্থী আবেদন করেছিলেন। গত শুক্রবার ওই পদে নিয়োগের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার তারিখ ছিল।

ঢাকার স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ধারণক্ষমতার চেয়ে আবেদনের সংখ্যা বেশি হওয়ায় ওই দিন সকাল ও বিকেল দুই ভাগে পরীক্ষার নেওয়ার কথা ছিল। পরীক্ষার জন্য শুক্রবার সময় নির্ধারণ থাকলেও এর আগের রাতে অর্থাৎ বৃহস্পতিবার রাতেই প্রশ্ন ফাঁস হয়। প্রশ্ন ফাঁসের বিষয়ে সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছিল। তবু ওই ফাঁস হওয়া প্রশ্নেই সকাল ভাগের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

সকালের পরীক্ষা চলাকালে এবং ওই পরীক্ষার পর প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে কয়েকটি প্রতিবেদন প্রকাশের পরিপ্রেক্ষিতে ওই দিনের বিকেলের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। আর সকালের পরীক্ষা বাতিলের দাবি জানিয়ে আসছিলেন চাকরি প্রার্থীরা।

বিনিয়োগ বার্তা/জিকো